হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর সাংবাদিক নামধারী কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডের ফল শেষ পর্যন্ত পাওয়া গেলো। তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও প্রকাশক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে হুমায়ূনকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানাচ্ছে, হুমায়ূনকে “পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে” মামলাটি করেছেন নজরুল ইসলাম নামে এক আইনজীবী। আজ সকালে চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম নিজামুল হকের আদালতে তিনি মামলা করেন।
কিছু ‘সাংবাদিক’ এ ধরনের অভিযোগের সুর হুমায়ূনের মৃত্যুর কয়েকদিন পরই তুলতে শুরু করেছিলেন। এ মামলায় সাক্ষী মানা হয়েছে কয়েকজন সাংবাদিককেই! এরা হলেন- দৈনিক আমার দেশের বার্তা সম্পাদক, স্থানীয় দৈনিক আজাদীর বার্তা সম্পাদক; সঙ্গে আছেন আবদুল হাই শিকদার নামে এক ‘লেখক’।
হুমায়ূন-শাওন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মৃত্যুর সময় থেকেই নানা রকম কথা বার্তা হয়েছে। এক পর্যায়ে বিবিসি বাংলা সোশ্যাল মিডিয়ায় শাওন-নিন্দার বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করে। আজকের ঘটনায়ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা পিছিয়ে নেই। সকাল ১২টা ৪১ মিনিটে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে মামলার খবর প্রকাশ হয়। এর ৪০ মিনিটের মাথায় এ ঘটনা নিয়ে আমারব্লগডটকমে ব্লগ লিখেছেন ফখরুদ্দীন রিজভী।
‘হুমায়ূন আহমেদ এবার কোর্টে…’ শিরোনামের ব্লগে তিনি বলছেন, “সামনে হয়তো আরো বিভিন্ন ভাবে মৃত হুমায়ুন আহমেদকে ধর্ষণ করা হবে. সত্য উদঘাটনের নামে নোংরা গল্প, অনুসন্ধান চলবে। এই সব কিছু দেখে আমার তাঁর নিজের লেখা উপন্যাস ” মেঘের উপর বাড়ি”-এর কথা মনে পরছে।”
আবেগমাখা প্রশ্নও তুলছেন তিনি, “তাঁর মৃত্যু পরবর্তী এইসব ঘটনা যে ঘটবে তা হয়তো তিনি অনেক আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। তাই হইতো উপন্যাস লিখে আগেই জানিয়ে গিয়েছিলেন সবাইকে। কেন জানি মনে হচ্ছে উপন্যাসের ইফতেকার সাহেবের মত তিনিও সব কিছু দেখছেন এবং আফসোস করে বলছেন : ’হে মানব জাতি তোমরা বড়ই তাড়াহুড়া’।”
newsually.com founded by polash datta & owned by Foundation for Information & Communication. licensed under creative commons license since 14th july 2011.