সাগর সরওয়ার ও তার স্ত্রী মেহেরুন রুনীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখন আর মিডিয়া কথা বলে না- এই কথাও আসলে এখন পুরনো। আদালত নির্দেশ দিয়েছে মনগড়া কথা যেন পত্রিকাগুলো প্রতিবেদন হিসাবে না ছাপে। পত্রিকাগুলো সেই নির্দেশ মানছে।
নির্দেশ মেনে তারা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কেন হচ্ছে না, খুনী কেন ধরা পড়ছে না- এইসব প্রশ্ন তুলতেও ভুলে গেছে। নির্দেশ মানছে পুলিশও। তারা আদালতে তদন্তের অগ্রগতি জানিয়েছে। কী জানিয়েছে? না, তা গণমাধ্যমকে জানানো যাবে না- বলেছে পুলিশ।
সাগর-রুনি ঢাকায় তাদের বাসায় খুন হয়েছিলেন ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে। পরদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টায় খুনী গ্রেপ্তারের কথা বলেছিলেন। তবে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই অবস্থায় সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে একমাত্র সোচ্চার কণ্ঠ একটি ফেইসবুক পেইজ।
একটা বিষয় ভালো লাগছে যে এই পেইজটি খোলার প্রায় এক মাসের মাথায় এর সদস্য সংখ্যা যা ছিল তা এখন হাজার হাজার গুণ বেড়েছে। এই পেইজে ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিউজুয়ালিডটকমে একটি পোস্ট প্রকাশের ২৬ দিনের মাথায় এর সদস্য সংখ্যা হয়েছে ৫,৩৩৬। যা গত ১ মার্চ পর্যন্ত ছিল ২৩৬।
এই পাচ হাজার সদস্যের শক্তি কি শুধু ফেইসবুকে কনটেন্ট শেযারের মধ্য দিয়ে ক্ষয় হবে? শুধু জনমত গঠনের মধ্য দিয়ে? নাকি তারাও আদালতে যাবেন? সাগর-রুনির হত্যার বিচারে সংশ্লিষ্ট মহলের শ্লথ গতি নিয়ে তাদের পক্ষ থেকে তো কেউ আদালতে চলেও যেতে পারেন। যার আবেদনে থাকবে অন্তত ৫,৩৩৬টি স্বাক্ষর। গণমাধ্যমের বাধ্যতামূলক নিরবতার এই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া কি এভাবে কোনো পথ দেখিয়ে দিতে পারে!
এ সংক্রান্ত আরো খবর
newsually.com founded by polash datta & owned by Foundation for Information & Communication. licensed under creative commons license since 14th july 2011.