আগামী বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বস্তিতে থাকার সুযোগ পেলেন আমেরিকার মিসেৌরির শিক্ষকরা। সেখানে প্রস্তাবিত শিক্ষকবিরোধী সোশ্যাল মিডিয়া আইন আটকে দিয়েছেন বিচারক। আইনটি ২৮ অগাস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
এই আইন বাস্তবায়িত হলে সেখানকার শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফেইসবুক বা টুইটারের মাধ্যমে যুক্ত থাকতে পারতেন না। আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে কোল কাউন্টি সার্কিট আদালতে আশ্রয় নেয় মিসৌরি স্টেট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। আদালতের বিচারক জন বীটেম শুক্রবার তাদের আবেদনে সাড়া দেন। রোববার (২৮ অগাস্ট) থেকে কার্যকর হতে যাওয়া আইনটির ওপর তিনি স্থগিতাদেশ জারি করেছেন। বীটেমের জারি করা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে আগামী বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
বীটেম বলেছেন, ”আইনটির মাধ্যমে বাক স্বাধীনতায় প্রভাব পড়বে। আইনটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষকরা তাদের সন্তানদের সঙ্গেও, যারা শিক্ষার্থী, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন না।”
সাংসদদের বির্তকিত অংশটুকু প্রত্যাহারে অনুরোধ জানানো হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন মিসেৌরির গভর্নর জে নিক্সন। আগামী মাসে সাংসদদের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা।
চলতি বছরের শুরুতে আইনটি মিসেৌরির সাংসদরা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগের মধ্য দিয়ে যেৌন বা অন্য ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্ক গড়ে ওঠার প্রেক্ষিতে আইনটি অনুমোদন করে তারা। শিক্ষকরা অবশ্য এর তীব্র বিরোধিতা করছেন। তারা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগের সিংহভাগই হয় শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয় আশয় নিয়ে।
সাংসদদের বির্তকিত অংশটুকু প্রত্যাহারে অনুরোধ জানানো হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন মিসেৌরির গভর্নর জে নিক্সন। আগামী মাসে সাংসদদের সঙ্গে তার বৈঠক হওয়ার কথা। ডিজিটাল যুগে শেখানো এবং শেখার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্রয়োজনীয় পদ্ধতি হতে পারে- এটা স্বীকার করে নিয়ে গভর্নর বলেছেন, তা সত্ত্বেও নিরাপত্তার কিছু ব্যবস্থা থাকা উচিত।
টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র টড ফুলার বলেছেন, ওই অংশগুলো প্রত্যাহার হলে তারা মামলাটি আর চালাবেন না।
এ সংক্রান্ত আরো খবর
newsually.com founded by polash datta & owned by Foundation for Information & Communication. licensed under creative commons license since 14th july 2011.